কেউ পেশায় চিকিৎসক, কেউ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার আধিকারিক আবার কেউ কেউ পেশায় ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষক। স্কুলের ছোট্ট বেলার সেই স্মৃতি রোমান্থন করতে প্রতি বছর ছোটবেলার সেই শিক্ষিকাদের উপস্থিতিতে ক্লাস টিচারের রোল-কল পড়াশোনার বকুনি সবকিছু যেন একবার ফিরে দেখতে রিইউনিয়ন করে যাবতীয় কর্মব্যস্ততার মাঝে জীবনের একটা দিন আনন্দ উল্লাসে ব্যয় করেন স্বপরিবারে। সঙ্গে নাচ, গান, কবিতা, খাওয়াদাওয়া তো ছিলই। প্রতিবছরের মতো এবছরও তাতে ছেদ পড়েনি। দুর্গাপুরের স্টিল টাউনশিপের হর্ষবর্ধন রোডের প্রাইমারি স্কুলের ১৯৭৯-৮৩ ব্যাচের স্কুল পড়ুয়ারা এ-জোন পালকি ভবনে স্কুল জীবনের দিনগুলিকে ফিরে দেখতে রবিবার রিইউনিয়নের আয়োজন করেন। রিইউনিয়নে কেবলমাত্র আনন্দ উল্লাস করেই নয়, এদিন রিইউনিয়ন কমিটির সদস্যরা মেধাবী ও দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের জন্য বাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও কিনে দেন।

হর্ষবর্ধন রোডের প্রাইমারি স্কুলের ১৯৭৯-৮৩ ব্যাচের রিইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ডা. সন্দীপ দে বলেন। ‘ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও‌ আমরা হর্ষবর্ধন রোডের প্রাইমারি স্কুলের ১৯৭৯-৮৩ ব্যাচের পড়ুয়ারা এখনও পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে বন্ধুত্ব অটুট রেখেছি। ছোট্টবেলার সেই স্কুল জীবনকে ফিরে দেখতে সেই ক্লাস রুমের আদলে আমরা রিইউনিয়ন করি। ক্লাস রুমে সেইসব প্রিয় টিচার ও বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে হৈচৈ করে কিছুটা সময় কাটাই। রিইউনিয়নকে আরও আকর্ষণীয় করতে সঙ্গে বন্ধুবান্ধবরা নাচ, গান, কবিতা ও খাওয়া দাওয়ার মাধ্যমে একটা দিন অতিবাহিত করি। সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কিছু সমাজ সেবাও করার চেষ্টা করি।’ বিশিষ্ট ক্যারাটে প্রশিক্ষক পুষ্পল রায় বলেন, ‘প্রতিবছর একটি দিন আমরা রিইউনিয়নের মাধ্যমে নিজেদের রিফ্রেস করে নিই। স্কুল জীবনের দিনগুলির স্মৃতি রোমান্থন করি।’ পুষ্পল রায় ও ডা. সন্দীপ দে বলেন, ‘বিভিন্ন পেশায় বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা সমস্ত বন্ধুবান্ধব এবং স্কুল জীবনের টিচারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে একমাত্র ভরসা সোশ্যাল মিডিয়ায়কে এই জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।’

Like Us On Facebook