স্কুলছুট অভাবী প্রিয়ার উচ্চশিক্ষার যাবতীয় দায়িত্ব নিলেন দুর্গাপুর ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রভাত চট্টোপাধ্যায়। প্রিয়া দুর্গাপুর বিধানচন্দ্র ইনস্টিটিউশনের কলা বিভাগের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ২০০৮ সালে দুর্গাপুরের তৎকালীন চিটফান্ডের কবলে পড়ে প্রিয়ার বাবা আকবর রোডের বাসিন্দা প্রবীর চট্টোপাধ্যায় আত্মহত্যা করেন। মা অনিন্দিতাদেবী উচ্চশিক্ষিতা হয়েও মানসিক অবসাদে পড়ে দুই মেয়েকে নিয়ে বাঁচার লড়াই শুরু করেন। প্রিয়ার দিদি কাজের খোঁজে সম্প্রতি ইন্দোর গেছে বলে জানা গেছে।

সকলের সহযোগিতায় পড়াশোনা চালিয়ে গেলেও অস্বচ্ছল সংসার স্বচ্ছল করার জন‍্য কয়েকদিন আগে স্থানীয় ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পল্লব নাগের কাছে কাজের খোঁজে আসে প্রিয়া। পল্লববাবু তখনই প্রিয়াকে আর্থিক সাহায্য করার আশ্বাস দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপরই স্টিল টাউনশিপের পাঁচটি ক্লাব – খো খো ক্লাব, নবজাগরণ, মাটি ক্লাব, গীতাঞ্জলি স্পোর্টিং, বন্ধু সবাই মিলিতভাবে প্রিয়ার পড়াশোনার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়। সোমবার দুর্গাপুরের বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা তথা ১৯ নং ওয়ার্ডের সদ‍্য নির্বাচত কাউন্সিলর প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ও অভাবী প্রিয়ার উচ্চশিক্ষার যাবতীয় দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। এবং প্রিয়ার হাতে পাঁচ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। একই ভাবে প্রশাসনও স্কুলছুট প্রিয়াকে স্কুলে ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। সব ঠিক থাকলে সকলের সহযোগিতায় মঙ্গলবার থেকেই প্রিয়া ফের স্কুলে যাবে।

Like Us On Facebook