একদিকে দুর্গা পুজোর প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। সঙ্গে বাজারে পুজোর কেনাকাটার ভিড়। দুইয়ের মাঝে একরাশ আতঙ্ককে ভর করে এখনও কিছু মানুষ গৃহবন্দি। এখনও অধরা কোভিড ভ্যাকসিন। কবে ভ্যাকসিন মিলবে তাও কেউ জানেনা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সকলেই দিশাহীন। কিভাবে করোনার আক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায় সেই ব্যাপারে সকলেই অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছে। এরইমধ্যে দুর্গাপুরে দেখা যাচ্ছে যোগ ব্যায়ামের প্রশিক্ষণ নিতে যোগ প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিতে ভিড় বাড়ছে। যোগে ইমিউনিটি বাড়বে, রোগ নির্মূল হবে – এই ভরসাতেই ভিড় যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে।

দুর্গাপুরের অর্জুনপুরের যোগগুরু ‘টনিকদা’র যোগ প্রশিক্ষণ শিবিরে এখন আট থেকে আশির উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। ১৯৮০ সাল থেকে টনিকদা অর্থাৎ দুর্গাপুরের বিশিষ্ট যোগ প্রশিক্ষক সলীল বরণ রক্ষিত। সলীলবাবু মহকুমা থেকে রাজ্য এবং জাতীয়স্তরের যোগ প্রশিক্ষক। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে টনিকদার যোগ প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ শেখার হিড়িক পড়েছে। ১৯৮০ থেকে পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২০ তে করোনা আবহে দেখা যাচ্ছে প্রশিক্ষণ শিবিরে ভিড় প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ৩০ জনের মতো মোটামুটিভাবে যোগ প্রশিক্ষণ নিতে বলে জানান টনিকদা। কিন্তু এবার সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫০ জনের অধিক। তাও অনেকেই মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে চোখের দেখা দেখে বাড়িতে গিয়ে যোগ ব্যায়াম করছেন। করোনা মোকাবিলায় যোগ ব্যায়াম বেশ জনপ্রিয় হয়েছে বলে দাবি করেন টনিকদা। যোগ প্রশিক্ষণ নিতে স্কুল পড়ুয়া থেকে বাড়ির গৃহিণী সকলেই এখন সময় বের করে প্রতিদিন সকাল-বিকেল টনিকদার যোগ শিবিরে ভিড় করছেন।

 

Like Us On Facebook