শুক্রবার সকালে দুর্গাপুরের সিএমইআরআই-এর বিজ্ঞানিদের আবিষ্কৃত কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের পাইলট প্ল্যান্টের উদ্ধোধন করে রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠি বর্তমান সময়ে কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে সিএমইআরআই-এর বিজ্ঞানিদের ভূয়শী প্রশংসা করেন। এদিন রাজ্যপাল সিএমইআরআই-এর একটি অতিথিশালারও উদ্ধোধন করেন। এদিন কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্টের উদ্বোধন করে রাজ্যপাল বলেন, দীর্ঘ ছয় দশক ধরে সিএমইআরআই জাতির সেবায় একের পর এক উদ্ভাবন করে চলেছে। তাঁদের উদ্ভাবিত এই কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট স্বচ্ছ ভারত মিশনকে সার্থক করে তুলবে।
সিএমইআরআই-এর ডিরেক্টর হরিশ হিরানি বলেন, নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করে আমাদের আশপাশকে পরিচ্ছন্ন রাখা সমাজের এক বড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সেই নোংরা আবর্জনা থেকে মিথেন গ্যাস তৈরি করে তা ব্যবহারিক কাজে লাগানোই আমাদের বিজ্ঞানিদের চ্যালেঞ্জ। ১০ টন কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা সম্পন্ন একটি প্ল্যান্টের জন্য মোটামুটি ৬ কোটি টাকা খরচ পড়বে বলে জানান প্রফেসর হরিশ হিরানি। সিএমইআরআই এর ডিরেক্টর বলেন আসানসোল ও দুর্গাপুর নগর নিগমের কাছে কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের প্ল্যান্ট বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
দুর্গাপুর নগর নিগমের মেয়র দিলীপ অগস্তি বলেন, আমরা প্রাথমিক ভাবে চন্ডীদাস মার্কেট ও মামড়া বাজারে কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ফুলঝোড় জেলের পাশে সরকারি ফাঁকা জমিতে সলিড ওয়েষ্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট বসানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি মহকুমাশাসককে। দুর্গাপুরের মহকুমাশাসক তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার উন্নয়ন দপ্তরের অতিরিক্ত জেলাশাসক শঙ্খ সাঁতরা বলেন, সিএমইআরআই-এর আবিষ্কৃত সলিড ওয়েষ্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট আসানসোল ও দুর্গাপুরে বসানোর জন্য ইতিমধ্যেই একটি প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছেন।










