শনিবার সকালে দুর্গাপুরের ভিড়িঙ্গী আমবাগানে ভাড়া বাড়িতে এক পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতার নাম তন্দ্রা ঘোষ। মৃতার স্বামী সুব্রত ঘোষ গোয়েন্দা পুলিশের কর্মী। ঘটনার সময় সুব্রতবাবু বাড়িতে ছিলেন না। সুব্রত বাবুর একমাত্র ছেলেও সেই সময় স্কুলে ছিল। কিন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনাস্থলের পাশের ভাড়াবাড়ি থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করে। আটক ব্যক্তির নাম সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়। তাঁর বাড়ি বাঁকুড়ায়। বর্তমানে তিনি ঘটনাস্থলের পাশের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। পুলিশ মনে করছে মৃতার সঙ্গে সঞ্জয়ের সম্পর্ক নিয়ে টানাপড়েন চলছিল বেশকিছু দিন ধরে। সেই কারণেই তন্দ্রার অপমৃত্যু।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সঞ্জয়কে প্রথমে আটক করে পরে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার দায়ে গ্রেফতার করে। রবিবার সঞ্জয়বাবুকে দুর্গাপুর আদালতে হাজির করলে আদালত তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় বলে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত সঞ্জয়ের নামে এর আগেও নারী ঘটিত ও অস্ত্র সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। একসময় পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি করতেন সঞ্জয়। কিন্তু সঞ্জয় একের পর এক অপকীর্তিতে জড়িয়ে পড়ার ফলে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর তন্দ্রাদেবীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে সঞ্জয় ক্রমাগত মানসিক চাপ সৃষ্টি করত বলে পুলিশ আধিকারিক সুব্রত ঘোষ অভিযোগ দায়ের করেন। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তন্দ্রাদেবী আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে পুলিশের ধারণা।







