দুর্গাপুর মহকুমা কার্যালয়ে দলীয় কর্মীদের মনোনয়নপত্র জমা করাতে গিয়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিজেপির সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুইয়ের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের ছুরি মারার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় দুর্গাপুর আদালত চত্বর অশান্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ বিজেপির।

বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, ‘আসানসোলের মেয়র জীতেন্দ্র তেওয়ারির নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র, ছুরি, ভোজালি নিয়ে প্রথমে আমাদের ক‍্যাম্প ভেঙে দেয়। দলীয় কর্মীদের মারধর করে। এরপরেই আমার উপর ছুরি চালানো হয়। অথচ পুলিশ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করল।’ বিজেপি কর্মীরা জানান, মহকুমা শাসকের নির্দেশে দুর্গাপুর মহকুমা প্রশাসন কার্যালয়ের ২০০ মিটারের বাইরে বিজেপি ক‍্যাম্প করেছিল।

যদিও আসানসোলের মেয়র জীতেন্দ্র তেওয়ারি বিজেপি পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।জীতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, ‘আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে সকলকেই স্বাগত জানাচ্ছি।’ জানা গেছে, শনিবার দুর্গাপুর মহকুমা কার্যালয় চত্বরে বিজেপি পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি নার্সিং হোমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতিকে দুষ্কৃতীদের আক্রমণ নিয়ে প্রশ্ন করলে দুর্গাপুরের ডিসিপি (পূর্ব) অভিষেক মোদী বলেন, ‘মহকুমা কার্যালয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে মনোনয়নপত্র জমা হচ্ছে।’ এই ঘটনার পর বিজেপি কর্মীরা একজোট হয়ে সিটি সেন্টারে ২ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়।

মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে শনিবার বুদবুদেও বিজেপি কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হয় বলে অভিযোগ।বুদবুদের চাক তেঁতুল গ্রাম থেকে মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে গিয়ে দুই বিজেপি কর্মীকে ব‍্যাপক মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। আহতদের মধ্যে একজনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।



Like Us On Facebook