ইনসেটে রীনা বেগম

স্ত্রীকে সন্দেহের বশে খুন করে বাড়ির মেঝেতে পুঁতে কংক্রীট করে দিয়েও মানসিক তাড়নায় নিজেই স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করল স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের বেনাচিতির উত্তর পল্লীতে।

জানা গেছে, বেনাচিতির তরুণ রায়ের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া থাকতেন বীরভূম জেলার নানুরের বাসিন্দা হায়দার আলি সঙ্গে তাঁর স্ত্রী রীনা বেগম ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে। হায়দার পেশায় রাজমিস্ত্রী। কয়েকদিন আগে হায়দার ছেলেমেয়েদের শ্বশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং স্ত্রী রীনা দশ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে গল্প ফাঁদে পাড়ায়। পুলিশকেও নাকি স্ত্রীর নিখোঁজের অভিযোগ জানায় হায়দার।

শেষমেশ মানসিক তাড়নার স্বীকার হয়ে হায়দার বৃহস্পতিবার বাড়ির মালিক তরুণ রায়কে ফোনে জানায় সে স্ত্রীকে খুন করে মেঝেতে পুঁতে দিয়েছে। তরুণ বাবু বিষয়টি দুর্গাপুর থানার পুলিশকে জানালে শুক্রবার পুলিশ আধিকারিকরা বিশাল বাহিনী নিয়ে এসে মেঝের কংক্রীট ভেঙে রীনা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে পুলিশ সিটি সেন্টার বাস স্ট্যান্ড থেকে হায়দারকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।