একটা সময় ছিল যখন সংসারে দুমুঠো অন্নের সংস্থান করতে সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ভ্যান রিক্সা টানতেন দুর্গাপুরের কড়ঙ্গপাড়ার মিঠুন থান্ডার। দিনভর কঠোর পরিশ্রম করেও উপার্জন যা হত তাতে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছিল। এরপর উপস্থিত বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে মিঠুন থান্ডার তাঁর পুরানো স্কুটারটি ভ্যানের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে ‘স্কুটার ভ্যান’ বানিয়ে ফেলেন। এর ফলে তাঁর ভ্যানের গতি যেমন বেড়েছে তেমনই তার সংসারে অর্থের জোগানও বেড়েছে।
মিঠুন এখন এক নিমিষে মুদির দোকানের মাল থেকে বিভিন্ন সামগ্রী কম সময়ে কম খরচে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত পরিবহণ করে কড়ঙ্গপাড়ার ব্যবসায়ীদের নয়নের মণি। মিঠুন থান্ডার বলেন, ‘আমি একসময় ভ্যান রিক্সা চালিয়ে রুজি রোজগার করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতার বাজার। তাই শ্লথ গতিতে ভ্যান চালিয়ে প্রয়োজনীয় টাকা উপার্জন করতে পারতাম না। আমার সংসার প্রায় অচল হয়ে পড়ে। তাই বুদ্ধি লাগিয়ে আমার পুরানো স্কুটারটিকে ভ্যানের বডির সঙ্গে জুড়ে দিয়ে স্কুটার ভ্যানে রুপান্তরিত করে ফেলি। এতে যেমন ভ্যানের গতি বেড়েছে তেমনই কম সময় এবং পরিশ্রমে বেশি যাত্রী বা মাল পরিবহণ করতে পারছি। ফলে আমার আয়ও বেড়েছে। একটা পুরানো স্কুটার আমার জীবনের গতি বদলে দিল।








