পুলিশি তোলাবাজির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে এখন পুলিশের রোষানলে পড়েছে দুর্গাপুরের বেনিচিতির মাছ ব্যবসায়ীরা। এমনই অভিযোগ মাছ ব্যবসায়ীদের। ৩ জুন বেনাচিতি বাজারে মাছের গাড়ি আটকে রাস্তায় পুলিশের তোলাবাজি ও মাছের গাড়ির চালককে বেধড়ক মারধর করার ফলে মাছের গাড়ির চালক গুরুতর জখম হয়। পুলিশের এই নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে সেইদিন রুখে দাঁড়িয়ে দুই সিভিক ভলান্টিয়ার ও একজন পুলিশ অফিসারকে বেনাচিতি বাজারের ব্যবসায়ীরা বেধড়ক গণপিটুনি দেয়। এই খবর চাউর হতেই রাজ্যের দূরদুরান্তের মাছের গাড়ি পুলিশের ভয়ে বেনাচিতি বাজারে আসা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ মাছ ব্যবসায়ীদের।

পুলিশ মাছ বাজারে বিভিন্ন অছিলায় অভিযান চালাচ্ছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। ফলে প্রভাব পড়েছে বাজারে। ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন মাছ ব্যবসায়ী থেকে ক্রেতা সকলেই। তাই অবিলম্বে পুলিশি অত্যাচার বন্ধ করতে বেনাচিতির মাছ ব্যবসায়ীরা বুধবার সমস্ত দোকান বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছেন। মাছের গাড়ি আটকে পুলিশের তোলাবাজি বন্ধে বুধবার বেনাচিতি বাজারের ছোট বড় ব্যবসায়ী থেকে় মাছের আড়তদার সকলেই পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়ে বুধবার মাছ বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান মাছ ব্যবসায়ী প্রকাশ শ্রীবাস্তব। প্রকাশবাবু বলেন, ‘পুলিশ অবিলম্বে তোলাবাজি ও মাছ বাজার ও মাছের গাড়ির উপর জুলুম বন্ধ না করলে আমরা গোটা জেলা জুড়ে ধর্মঘটে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি।

এদিকে ৩ জুন মাছের গাড়ি চালককে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পদস্থ কর্মকর্তারা অভিযুক্ত নিউ টাউনশিপ থানার এএসআই শৈলেন মন্ডলকে সাসপেন্ড করল এবং অভিযুক্ত দুই সিভিক ভলান্টিয়ার প্রশান্ত মন্ডল ও আশিষ মাহাতোকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান দুর্গাপুরের ডিসিপি অভিষেক মোদী। ডিসিপি গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানান। আহত মাছের গাড়ির চালক সুধাংশু রাউতের অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

বর্ধমান ডট কম-এর খবর নিয়মিত আপনার ফেসবুকে দেখতে চান?

ফাইল চিত্র
ফাইল চিত্র
Like Us On Facebook