দুর্গাপুরকে গ্রীন সিটি, স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতায় আনার চেষ্টায় দুর্গাপুর নগর নিগম দিন রাত এক করছে। অথচ দুর্গাপুর নগর নিগমের কিছু এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখনও এলাকার নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার হয়না। নিকাশি নালা নোংরা আবর্জনায় ভরে উঠছে। নোংরা নিয়মিত নিয়ে যায়না দুর্গাপুর নগর নিগমের সাফাই কর্মীরা। এখনও নগর নিগমের অনেক রাস্তা পিচের বদলে মোরামের।
এইসব এলাকার বাসিন্দারা শীত শেষ হয়ে গরম হাওয়া বইতেই বৃষ্টির জলে নালা ছাপিয়ে কাঁচা মোরাম রাস্তা বেহাল হওয়ার আতঙ্কে এখন থেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সঙ্গে আছে নোংরা আবর্জনা সাফাই না হওয়ায় মশা বাহিত রোগের ভয়। বিশেষ করে দুর্গাপুরের ১৬ নং ওয়ার্ডের সুকান্ত পল্লীর বাসিন্দারা পুর পরিষেবা থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়ার অভিযোগ করেন। সুকান্ত পল্লীর বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখানে পাড়ার রাস্তা এখনও মোরামের। পাকা ড্রেন ভাঙাচোরা এবং নোংরা আবর্জনায় ভরপুর। পুর-কর্মীরা ড্রেন মেরামতি যেমন করে না তেমনই নিয়মিত নিকাশি নালা বা এলাকার বর্জ্য সাফাই করে না। ফলে গরম পড়তেই মশা বাহিত রোগের আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ নিয়ে ১৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশীল চ্যাটার্জী এলাকার নিকাশি নালায় পুর কর্মীদের কাজ না করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার ওয়ার্ডে নিয়মিত নিকাশি নালা পরিষ্কার করা হয়। তবে রোটেশনে কাজ হয় ওয়ার্ডে। তাই কিছু কাজ করতে দেরি হচ্ছে বলে মনে হয়। সুশীলবাবু এলাকায় নোংরা আবর্জনা নিকাশি নালায় ফেলার জন্য পৌরসভাকে ফাইন চালু করার অনুরোধ জানাবেন বলে বর্ধমান ডট কমকে জানান। কাঁচা রাস্তা পাকা করার বিষয়ে সুশীলবাবু বলেন, রাস্তা পাকা করার প্রজেক্ট দুর্গাপুর নগর নিগমে জমা দেওয়া হয়েছে। মেয়র ছাড়পত্র দিলেই রাস্তার কাজ শুরু করে দেওয়া হবে।









