অর্ধেক গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। তাই ডিজিটাল যুগে হাতে স্মার্টফোন থাকলেও পাঁচ টাকার বিনিময়ে মোবাইলে চার্জ দেওয়ার জন্য পাশের গ্রামের মুদীর দোকানে যেতে হয় গ্রামবাসীদের। দুর্গাপুর মহকুমার একপ্রান্তে একযুগ ধরে অন্ধকারে রয়েছে বারোবিঘা গ্রামের অর্ধেক মানুষ।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অন্ধকার থেকে আলোর সন্ধানে গ্রামবাসীরা হন‍্যে হয়ে ঘুরছেন প্রশাসন ও বিদ‍্যুৎ দপ্তরের দুয়ারে দুয়ারে। কাঁকসার ত্রিলোকচন্দ্র পুর পঞ্চায়েতের অধীন এই বারোবিঘা গ্রাম। প্রায় ৭০ টি পরিবারের বাস এই গ্রামে। গ্রামবাসীরা জানান, ১৯৮০ সালে প্রথম বিদ্যুৎ সংযোগ হয় এই গ্রামে। ১৯৮২ সালে ট্রান্সফর্মার খারাপ হয় যায়। ট্রান্সফর্মার মেরামত হলেও মাত্র অর্ধেক গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে। বাকি গ্রামবাসীরা বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি, বার বার পানাগড় ইলেকট্রিক অফিসে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করেও ফল মেলেনি।

বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় আলোর যুগে অন্ধকারে ডুবে রয়েছে একটা গোটা গ্রামের অর্ধেক মানুষজন। ফলে গ্রামের একদিকে আলো অন‍্যদিকে অন্ধকার। বিদ্যুৎ না থাকায় ছেলে-মেয়েদের পঠন-পাঠনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানান গ্রামবাসীরা। রেশন দোকান থেকে পাওয়া কেরোসিনই এখন অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখাচ্ছে বারোবিঘা গ্রামের মানুষকে। গ্রামের বাসিন্দারা গ্রামে বৈদ‍্যুতের খুঁটি থাকা সত্ত্বেও গ্রাম বিদ্যুৎহীন বলে জানান।

পানাগড় বাজার বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিক ও কাঁকসা ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বিষয়টি না জানার কথা জানালেও বারোবিঘা গ্রামের মানুষ আবেদন করলেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ করা হবে বলে জানান কাঁকসার ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক অরবিন্দ বিশ্বাস।


Like Us On Facebook