বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার গোপালপুরে খড়ি নদীতে তলিয়ে যাওয়া দ্বিতীয় শিশুর দেহ উদ্ধার হল। শুক্রবার উদ্ধার হয়েছিল সেখ রিয়াজউদ্দিনের (১১) দেহ। শনিবার উদ্ধার হল আড়াই বছরের কাজী আহিলের দেহ। রিয়াজউদ্দিনের বাড়ি গোপালপুরে। কাজী আহিলের বাড়ি পশ্চিম বর্ধমান জেলার রানীগঞ্জের হিজলগড়ে। বৃহস্পতিবার নিখোঁজ হওয়া মামাতো-পিসতুতো দুই ভাইয়ের দেহ পরপর দু’দিন খড়ি নদী থেকে উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার গোপালপুরে মামাতো ভাই আড়াই বছরের কাজী আহিলকে নিয়ে বেড়াতে বেড়িয়েছিল সেখ রিয়াজউদ্দিন (১১)। এরপর দুপুর থেকেই নিখোঁজ দুই শিশুর হদিশ পেতে শুরু হয় ব্যাপক খোঁজাখুঁজি। এরই মাঝে গ্রামেরই এক বাসিন্দা জানান, ওই দুই শিশুকে তিনি গোপালপুরে খড়ি নদীর কাছে দেখেছেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ডুবুরিরা বৃহস্পতিবার রাতভর খোঁজ চালিয়ে শুক্রবার সকালে পারহাট গ্রামের কাছে খড়ি নদী থেকে রিয়াজউদ্দিনে মৃতদেহ উদ্ধার করে। শনিবার পারহাট গ্রামের কাছেই নদী থেকে কাজী আহিলের মৃতদেহ উদ্ধার করে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ডুবুরিরা।

Like Us On Facebook