ডাকাতির আগেই পাঁচ রেল ডাকাত ধরা পড়ল আরপিএফ ও আসানসোল উত্তর থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে। আসানসোল স্টেশন সংলগ্ন লোকো মসজিদের কাছে রানি ঝাঁসি ময়দান থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে গ্রেফতার করা হয় পাঁচ দুস্কৃতীকে। বৃহস্পতিবার তাদের আসানসোল কোর্টে তোলা হয়।
জানা গেছে, বুধবার গভীর রাতে আরপিএফ গোপন সূত্রে খবর পায় কয়েকজন দুষ্কৃতী রানি ঝাঁসি ময়দানে জড় হয়েছে। তারা রেলে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে জড় হয়েছে বলে খবর পায় আরপিএফ। সঙ্গে সঙ্গে আরপিএফ আসানসোল উট্তর থানার পুলিশকে বিষয়টি জানায়। এরপর আরপিএফ এবং আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নামে। ভোররাতে রানি ঝাঁসি ময়দানে পাঁচজনকে বসে থাকতে দেখে যৌথ বাহিনী। তাদের চারিদিক থেকে ঘিরে ধরে আটক করে পুলিশ ও আরপিএফ।
ধৃতদের মধ্যে তিনজন বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা, নাম হায়দার আলি ফৈয়াজ, মহম্মদ ইবরান, মহম্মদ রাজু। অন্য দুজন আসানসোলের সীতারামপুরের টুনটুন মাহাতো ও হীরাপুরের জামালউদ্দিন খান। ধৃতদের তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ একটি পাইপ গান, ছুরি, শাবল ও লোহার চেন উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ধৃতদের গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার আসানসোল আদালতে তোলে। আদালত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
পুলিশ ধৃতদের জেরা করে জানতে পেরেছে, বিভিন্ন চলন্ত ট্রেনে উঠে যাত্রীদের জিনিসপত্র লুঠ করে এরা। এদিনও তারা ট্রেনে ডাকাতি করার পরিকল্পনা করেছিল। মুঙ্গেরের অপরাধীরা গত আট-নয় মাস ধরে গয়া-হাওড়া প্যাসেঞ্জার, ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন দূরপাল্লার ট্রেনে ধারাবাহিক ভাবে চুরি করে আসছে। এদিনও তারা কোন যাত্রীবাহী ট্রেনে উঠে ডাকাতির মতলবে অপেক্ষা করছিল। মুঙ্গেরের ঘসিয়ার মহল্লার বাবলু এই চক্রে মূল পান্ডা বলে জানা গেছে।






