এসার অয়েলের এক কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। খবর পেয়ে নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এক ব‍্যাক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

জানা গেছে, দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের লবনা পাড়ার বাসিন্দা সফেদ আলি মিদ্দাকে (৪৯) একটি গোষ্ঠী এসার অয়েলে ঠিকা শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ করার পরই অশান্তির সূত্রপাত। এরপর থেকে অপর গোষ্ঠীর নেতারা সফেদ আলিকে নিয়মিত হুমকি দিত বলে অভিযোগ। শারীরিকভাবে অসুস্থ সফেদ আলিকে মঙ্গলবারও ফের একই রকম হুমকি দেয় অপর গোষ্ঠীর নেতারা বলে অভিযোগ। এতেই সফেদ আলি এসার অয়েল কারখানার ভিতরে কর্মরত অবস্থায় ভয়ে জ্ঞান হারান বলে অভিযোগ।

এরপর তাঁর সহকর্মীরা তড়িঘড়ি দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে সফেদ আলিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এলে চিকিৎসকরা সফেদ আলিকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরেই সফেদ আলির এক আত্মীয় মাসুম আলি অভিযুক্তদের নামের তালিকা সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলার সময় নাজিমুদ্দিন আলি নামে মৃত সফেদ আলির আর এক আত্মীয় ঝাঁপিয়ে পড়ে মাসুম আলিকে প্রকাশ‍্যেই মারধর শুরু করে। নাজিমুদ্দিনের মারে মাসুম আলির মাথা ফেটে যায়‌। খবর পেয়ে নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দিতে অভিযুক্ত নাজিমুদ্দিন আলিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনায় অভিযোগের তীর তৃণমূল কংগ্রেসের দুটি গোষ্ঠীর দিকে। যদিও দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুজিত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোন সম্পর্ক নেই’।

Like Us On Facebook